NCTE-র গাইডলাইনে B.ED বাধ্যতামুলক, ধিক্কার আন্দোলন D.EL.ED প্রার্থীদের

এনসিইটি গাইড লাইন না মানার দাবিতে কালোদিন পালন করছে পশ্চিমবঙ্গের ডিএলএড প্রার্থীরা । এদিকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল জম্বু ও কাশ্মীরের সমস্ত সরকারি শিক্ষক শিক্ষিকাদের জন্য বিএড বাধ্যতামুলক করলো এনসিটিই ।          



আর এদিকে এনসিটিই-২০১৮-র প্রাইমারি নিয়োগে বি.এড- প্রার্থীদের বসতে দেওয়াকে তুঘলকি কালো আইন বলে উল্লেখ করে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে সাধারণ  ডি.এল.এড প্রার্থীরা৷ আর অন্যদিকে , এই আইনকে ধিক্কার জানিয়ে সরব হয়েছেন পূর্ণ প্রশিক্ষিত ডি.এল.এড-রা৷ তাঁদের দাবি, এই আইনের ফলে পশ্চিমবঙ্গে ২০২০ সালের ১৬,৫০০ জন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অন্যায় ভাবে হাজার হাজার প্রার্থীকে বঞ্চিত করা হয়েছে৷সেই সমস্ত প্রার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘‘এই অস্বচ্ছ আইনের করাল গ্রাসের কাছে আত্মবলিদান দিতে হল ডি.এল.এড (টেট পাশ ২০১৪) প্রার্থীদের৷ এই সমস্ত ডি.এল.এড প্রার্থীদের রক্ত দিয়ে তৈরি করা হল ইতিহাস৷’’


এদিকে সাধারন ডি.এল.এড প্রার্থীরা জানান , ‘‘এই আইনের মধ্যে দিয়ে অর্ধ প্রশিক্ষিত বি.এড-দের সমমর্যাদা দেওয়া হল পূর্ণ প্রশিক্ষিত ডি.এল.এড-দের সঙ্গে সম স্থানে৷ এরকারণ বি.এড-রা ৬ মাসের ব্রিজ কোর্স করলে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ডি.এল.এড-দের সমকক্ষ হতে পারে৷’’ এদিকে ডিএলএড প্রার্থীদের দাবি, অবিলম্বে প্রাইমারিতে শুধুমাত্র ডি.এল.এড-দেরই যোগ্য হিসাবে বিবেচনা করতে হবে৷ পাশাপাশি এনসিটিই-২০১৮ আইনের মাধ্যমে যে বি.এড-কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, অবিলম্বে সেই আইন সংশোধন করতে হবে৷

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য