মমতা দিচ্ছে মাসিক ১৫০০ টাকা! ১৮ বছর বয়স হলে সুযোগ নিয়ে ফেলুন – West Bengal Govt Scheme

Rajjak Ali

Written by Rajjak Ali

Published on:

West Bengal Govt Scheme : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হয়নি এমন রাজ্যের বাসিন্দা খুবই কম রয়েছে। কেননা পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের আপামর জনগণের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রকল্পের সূচনা করেছেন এবং এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন বহু সাধারণ মানুষ। রাজ্য সরকার রাজ্যের বেকার থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী কিংবা বয়স্ক থেকে তরুণ তরুণী সকলের জন্যই নানা ধরনের জনমুখী প্রকল্প নিয়ে এসেছেন। আজকে এমন এক প্রকল্প সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি যেখানে বাড়ি বসে প্রতিমাসে ভাতা পেতে পারেন। এক্ষেত্রে কোন উচ্চ যোগ্যতার প্রয়োজন নেই শুধু পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হলেই সুযোগ পেতে পারেন। আসুন তাহলে এই প্রতিবেদনে এই প্রকল্প সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

west bengal govt scheme

আমরা সকলে জানি এই রাজ্য সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হল লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প। বর্তমানে এই লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের প্রায় কয়েক কোটি মহিলা বাড়ি বসে মাসিক ভাতা পাচ্ছেন। এক্ষেত্রে সাধারণ মহিলারা মাসে ১০০০ এবং সংরক্ষিত জাতির মহিলারা মাসিক ১২০০ টাকা সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে পাচ্ছেন। শুধু তাই নয় রাজ্যের মহিলা এবং তরুণীদের জন্য আরো নতুন অনেক প্রকল্প নিয়ে এসেছেন রাজ্য রাজ্য সরকার। কন্যাশ্রী ও রূপশ্রী সহ আরো বহু জনপ্রিয় প্রকল্প রয়েছে যার মাধ্যমে রাজ্যের জনগণ নানা দিক দিয়ে উপকৃত হচ্ছেন।

West Bengal Govt Scheme

তবে রাজ্য সরকার শুধু এক শ্রেণী মানুষের জন্য কাজ করেননি তিনি প্রায় সকল শ্রেণীর মানুষের কথা মাথায় রেখে নানা ধরনের প্রকল্প নিয়ে এসেছেন। যেমন বয়স্কদের জন্য বয়স্ক ভাতা, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সবুজ সাথী, এছাড়াও রয়েছে স্বাস্থ্য সাথী ও খাদ্য সাথী সহ বহু জনপ্রিয় প্রকল্প। তিনি বেকারদের কথাও মাথায় রেখে নানা ধরনের স্কলারশিপ এর পাশাপাশি বেকার ভাতারও আয়োজন করেছেন। এবার এমন এক প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি যেখানে রাজ্যের বেকার প্রার্থীরা মাসে মাসে সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে টাকা পেতে পারেন। শুনতে অবাক লাগল এটাই সত্যি।

মাসিক ১৫০০ টাকা ভাতা কীভাবে পাবেন?

রাজ্য সরকারের অন্যতম জনপ্রিয় বেকারদের জন্য প্রকল্প হল যুবশ্রী প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বেকার প্রার্থীরা ঘরে বসে মাসিক ১৫০০ টাকা পেয়ে থাকেন। যদি আপনি এখনো পর্যন্ত বঞ্চিত থাকেন তাহলে এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্য। আজকের প্রতিবেদনে আমরা এই প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে যাচ্ছি, যাতে এই সুবিধা আপনি নিতে পারেন।

 

এই প্রকল্পে আবেদন করতে কোন ওয়েবসাইটে যেতে হবে :

রাজ্য সরকারের এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে বেকার ভাতা বা যুবশ্রী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে হয়। তবে এই প্রকল্পে আবেদন করার পূর্বে বেশ কিছু জরুরী ডকুমেন্টস রেডি করে রাখতে হবে। বিশেষ করে এই প্রকল্পে আবেদন করতে গেলে একসেন্স কার্ড থাকা জরুরী। তাই আপনি যদি পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হয়ে থাকেন এবং কমপক্ষে শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণী পাস হয় তাহলে বিলম্ব না করে এক্সচেঞ্জ কার্ড বানিয়ে ফেলুন।

এই প্রকল্পে কারা যোগ্য ও নথিপত্র সমূহ :

এক্সচেঞ্জ কার্ড বানানোর পর আপনি এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে ফরম পূরণ করে দিন। কারণ এক্ষেত্রে একবার আপনার অ্যাপ্লিকেশন এপ্রুভ হলে ঘরে বসে মাসিক টাকা পেতে পারবেন অনায়াসে। এতে আবেদন করতে পারবেন পশ্চিমবঙ্গের যেকোনো প্রান্ত থেকে এবং বয়স থাকতে হবে ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে। এছাড়াও কিছু জরুরি ডকুমেন্টস আপনার থাকতে হবে যা আপলোড করলে আবেদনপত্রটি সফলভাবে জমা করা যাবে।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

আরও পড়ুন

বিনামূল্যে ট্রেনিং দিচ্ছে সরকার, পেতে পারেন চাকরির সুযোগও -দেখুন বিস্তারিত – WB Govt Free Training Course

WB Govt Free Training Course: পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং বৃত্তনির্গমের তরফে যুবক যুবতীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ফ্যাশন ডিজাইনিং কোর্সে ভর্তির সূবর্ণ সুযোগ। প্রশিক্ষণের যাবতীয় খরচ বহন করবেন রাজ্য সরকার, তাই আবেদনকারীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ফ্যাশন ডিজাইনিং কোর্সটি সম্পূর্ণ করতে পারবেন। পশ্চিমবঙ্গের যে সকল যুবক যুবতীরা আগামীর জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে চান তারা উক্ত ফ্যাশন ডিজাইনিং কোর্স সম্পূর্ণ করতে পারেন। নিম্নে পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং বৃত্তনির্গমের তরফে সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে ফ্যাশন ডিজাইনিং কোর্স সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য আলোচনা করা হলো। তাই আগ্রহীরা প্রতিবেদনটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত দেখে আবেদন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করুন।

WB Govt Free Training Course

ফ্যাশন ডিজাইনিং কোর্স:

ফ্যাশন ডিজাইনিং কোর্স হলো পোশাক, অ্যাক্সেসরিজ ও ফ্যাশন আইটেম ডিজাইনের কৌশল শেখার একটি পেশাদার কোর্স। এই কোর্সে ফ্যাশন শিল্পে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সৃজনশীল দক্ষতা, কারিগরি জ্ঞান ও বাজার-বুঝের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ডিপ্লোমা কোর্সটি ৬ মাস থেকে ১ বছর/৩ মাস থেকে ৬ মাস জন্য উপলব্ধ রয়েছে। বিএ/বিএসসি ইন ফ্যাশন ডিজাইন জন্য ৩ বছর থেকে ৪ বছরের কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। যাদের সৃজনশীলতা, ড্রইং স্কিল, রং-বুঝ, ফ্যাশনে আগ্রহ, এবং নতুন কিছু তৈরি করার ইচ্ছা আছে তারা সহজেই এই কোর্সে সফল হতে পারেন।

আবেদন যোগ্যতা:

রাজ্যের যে সমস্ত যুবক-যুবতীরা ফ্যাশন ডিজাইনিং কোর্স সম্পূর্ণ করতে চান তাদের পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং বৃত্তি নির্গম সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কোর্স সম্পূর্ণ করতে চলেছে। তবে রাজ্য সরকারের ফ্যাশন ডিজাইনিং করছে আবেদনের জন্য কিছু যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে, যেমন –
১. আবেদনকারী কে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং পরিচয় পত্র হিসেবে যাবতীয় নথিপত্র থাকতে হবে।
২. যেহেতু উক্ত কোর্সটি পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু দপ্তরের তরফে সম্পূর্ণ করা হবে তাই এই কোর্সে পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়ে (মুসলমান, খ্রিস্টান, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ) আবেদন জানাতে পারবেন।
৩. আবেদনকারী যুবক-যুবতীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে কোন স্বীকৃত বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস সম্পন্ন থাকতে হবে।
৪. আবেদনকারীর বয়স ০১ লা জানুয়ারি ২০২৫ অনুযায়ী ১৮ বছর থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।

আবেদন পদ্ধতি:

পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দেওয়া রয়েছে। তাই আগ্রহীরা অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তার জন্য আবেদনকারী কে নিচে দেওয়া আবেদনের লিংকে ক্লিক করে সরাসরি আবেদন জানাতে হবে। আবেদনপত্রে উল্লেখিত আবেদনকারীর নাম ঠিকানা সহ যাবতীয় নথিপত্র প্রদান করতে হবে। আবেদনপত্র নির্ভুলভাবে পূরণ হয়ে গেলে সেটি সাবমিট অপশনে ক্লিক করলে আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার কিছুদিন পর থেকে কোর্সের ট্রেনিং শুরু করা হবে।

প্রশিক্ষণের ঠিকানা:

পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং বৃত্তনির্গমের তরফে সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ফ্যাশন ডিজাইনিং কোর্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে, উক্ত কোর্সটি জলপাইগুড়ি জেলার তরফে আয়োজন করা হয়েছে। এই কোর্সটি নিম্নলিখিত ঠিকানায় সম্পূর্ণ করানো হবে। PETC বিল্ডিং (২য় তলা), শিবাজী রোড, হাকিমপাড়া, জলপাইগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ ৭৩৫১০১

আবেদন শেষ তারিখ:

পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং বৃত্তনির্গমের তরফে সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য যে বিনামূল্যে ফ্যাশন ডিজাইনিং কোর্সের অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত। তাই যে সকল সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীরা উক্ত কোর্স সম্পূর্ণ করতে চান তারা যথাসময়ে আবেদন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করুন। উক্ত বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত আরো বিস্তারিত তথ্য পেতে নিচে দেওয়া অফিসিয়াল নোটিফিকেশন ডাউনলোড করে বিস্তারিত দেখুন।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

ঘরে বসে মাসিক আয় ৭০,০০০ টাকা! যে কেও শুরু করুন এই ব্যবসা, দেখুন বিস্তারিত – ATM Franchise Business Idea

ATM Franchise Business Idea: বেকার বা ব্যবসায়ীদের জন্য দারুণ সুসংবাদ নিয়ে হাজির হওয়া গেল। এবার চাকরির বিকল্প হিসেবে এমন ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে হাজির হয়েছি যার মাধ্যমে ঘরে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। তাও আবার যে কোনো কাজ করে নয়, সরাসরি SBI ব্যাংকের সঙ্গে ব্যবসা করে এই আয় করতে পারবে।বেকার প্রার্থীদের জন্য কিছু পুঁজি লাগিয়ে বাড়ি বসে আয় করার দারুণ সুযোগ। আসুন তাহলে আজকের প্রতিবেদনে আরও বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। Business Idea with ATM Machine

ATM Franchise Business Idea

সম্প্রতি SBI Bank কর্তৃক ব্যাংকিং ট্রানজেকশন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করতে WhatsApp এর মাধ্যমে ব্যাংকিং পরিষেবা চালু করা হয়েছে। আর এই জন্য SBI ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করে মাসে মাসে লক্ষাধিক টাকা আয়ের সুযোগ থাকছে আপনার হাতে । এখন আপনার মনে এই প্রশ্ন জাগছে যে কিভাবে এত টাকা আয় করা সম্ভব। তাহলে আসুন দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক, কিভাবে এত টাকার ঘরে বসে আয় করা সম্ভব। SBI Bank ATM Franchise Business

 

বর্তমানে স্টেট ব্যাংকে অফ ইন্ডিয়ার অন্যতম লক্ষ্য হলো দেশের যে কোনো প্রান্তে গ্রাহকদের কাছে ব্যাংকের নানা সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। ঠিক সেই কারনে দেশের বিভিন্ন  প্রান্তে SBI ব্যাংক ATM Machine Franchise দিচ্ছে। যেখানে আপনি নিজের এলাকায় ATM Machine Franchise নিয়ে মাসিক বিপুল টাকা আয় করতে পারবেন। বছরে হিসেব করলে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব।  তবে অবশ্যই কিছু শর্ত অবলম্বন করতে হবে, এই সুযোগ পেতে । Business Idea With ATM Machine

 

যে সমস্ত শর্ত পূরণ করতে হবে তা হল

1. প্রথমত ATM মেশিন বসানোর জন্য কমপক্ষে ৫০-৬০ ( তার বেশি) বর্গফুট জমি থাকতে হবে। ( নিজের কিংবা ভাড়া যে কোনো হলেই চলবে)

2. যদি আশে পাশে অন্য কোনো ATM থাকে তাহলে তার থেকে দুরত্ব হতে হবে কমপক্ষে 100 মিটার ।

3. যেখানে এই মেশিন বসানো হবে সেই জায়গাটি অবশ্যই নিচতলায় হতে হবে এবং পাশাপাশি 1 কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সংযোগ সহ 24 ঘন্টা বিদ্যুৎ পরিষেবা থাকতে হবে।

 

ATM মেশিন Franchise নিতে কী কী প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস থাকতে হবে  :

1. সর্বপ্রথম পরিচয় পত্র হিসেবে ব্যাংক পাসবই থাকতে হবে

2. আধার বা ভোটার কার্ড থাকতে হবে।

3. রেশন কার্ড

4. জমির কাগজ বা রেন্টের কাগজ ইত্যাদি

5. GST রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে

6. পাসপোর্ট সাইজের ছবি

7. অন্যান্য

 

আমরা অনলাইন মারফত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই প্রতিবেদন রচনা করেছি। SBI ATM Franchise সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে সরাসরি ব্যাংকে গিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতারণা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখবেন। কেবল ব্যাংকে গিয়ে বিস্তারিত জেনে নিবেন।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Rajjak Ali
Rajjak Ali

Rajjak Ali is an experienced content writer with over 5 years of expertise in crafting engaging and informative content. With a passion for writing, Rajjak has successfully delivered high-quality articles, blog posts, and website content for various niches. Rajjak's dedication to delivering captivating content has earned him a reputation for excellence in the field.